X=Prem Trailer : স্মৃতি হারানো, এবং স্মৃতি অক্ষুন্ন থাকার দ্বন্দ্বের ভিন্ন মনস্তত্ত্বের গল্প শোনাবেন সৃজিত মুখোপাধ্যায়

সৃজিতা ব্যানার্জী
প্রকাশিত: 19/05/2022   শেষ আপডেট: 19/05/2022 9:20 p.m.
instagram.com/arjunchakrabarty,/madhurimabasak9

শুধু নিখাদ প্রেম নয়, অতীতের সম্পর্কের সারল্য এবং বর্তমান সম্পর্কের জটিলতা নিয়ে গল্প বুনেছেন পরিচালক

নবাগত সুব্রত বারিষওয়ালার লেখনী (Subrata Barishwala), শ্রেয়া ঘোষালের (Shreya Ghoshal) কণ্ঠে, ছবি মুক্তির আগেই মজে উঠেছিল 'ভালোবাসার মরশুম'। আর তাতেই প্রাণ পেয়েছিলো সদ্য ফুটতে শুরু করা নতুন প্রেমের কুড়িগুলি। বলা বাহুল্য, সেই ছবি 'এক্স=প্রেম'কে (X=Prem) নিয়ে তখন থেকেই সিনেমাপ্রেমী মানুষ উৎসাহিত হয়েছিলেন। সম্প্রতি মুক্তি পেল সেই ছবির ট্রেলার।

গত বছর জুলাই মাসে শুরু হয় এই ছবির প্রস্তুতি। রহস্য, রোমাঞ্চের সিন্দুক বন্ধ করে, এবার এক নিখাদ প্রেমের গল্পের সিন্দুক উন্মোচন করলেন পরিচালক সৃজিত মুখোপাধ্যায় (Srijit Mukherji)। দর্শকদের অনুরোধেই খানিক প্রেমের বাক্স খুলতে উদ্যত হয়েছেন পরিচালক। একটি সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন, নিখাদ প্রেম থাকলেও সাদা কালোর মায়াবী জগতে পরতে পরতে রহস্যের জাল বুনে রেখেছেন তিনি। গল্পটিতে কলেজ প্রেমের যেমন সারল্য রয়েছে, তেমন রয়েছে সেই প্রেম পেরিয়ে বর্তমান জীবনের নানান জটিলতা। ছবির চরিত্র অর্নব অর্থাৎ অর্জুন চক্রবর্তীর (Arjun Chakrabarty)সঙ্গে 'ভালোবাসার মরশুম' এ মজেছিলেন তাঁর কলেজ জুনিয়র জয়ী ওরফে শ্রুতি দাস (Shruti Das)। 'অপরিণত' প্রেমের অধিকতম থিয়োরি অনুযায়ী, এই ভালোবাসাও স্থায়ী হয়নি। জয়ীর জীবনে আসে খিলাত অর্থাৎ অনিন্দ্য সেনগুপ্ত (Anindya Sengupta), এবং অর্ণবের জীবনে আসে অদিতি ওরফে মধুরিমা বসাক (Madhurima Basak)।

জয়ী এবং খিলাতের সুখী দাম্পত্যে অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায় একটি গাড়ি দুর্ঘটনা। আর তাতেই গল্প দিক নেয় জটিলতার আঁধারে। খিলাতের মস্তিষ্ক থেকে বিগত দশ বছরের বছরের স্মৃতি মুছে যায়। স্বভাবতই তাঁর দশ বছরের আগের স্মৃতি, পরিচিত থাকেনা জয়ীর সঙ্গে। কিন্তু জয়ী আপ্রাণ চেষ্টা করে যায়, খিলাতকে সুস্থ করে তোলার জন্য। অন্যদিকে অর্ণবের দাম্পত্যে জয়ীর স্মৃতি বারবার অন্তরায় হয়ে দাঁড়ায়। সঙ্গিনী হিসেবে অদিতির পক্ষে যা গ্রহণ করা দুষ্কর হয়ে ওঠে। খিলাতের স্মৃতি ফেরাতে মরিয়া জয়ী চায়, অর্নবের স্মৃতি 'ধার' নিয়ে, খিলাতকে সুস্থ করে তুলতে, যে স্মৃতিতে জয়ী বর্তমান।

অনিন্দ্য, শ্রতি, মধুরিমার হাতেখড়ি এই ছবিতে। প্রথম পরিচালক হিসেবে সৃজিতকে পেয়ে তাঁরা উচ্ছসিত। এমন অন্যরকম, কৌতূহলোদ্দীপক চরিত্রে তাঁদের নির্বাচন করা সত্যিই তাঁদের কাছে বিশেষ। অন্যদিকে অর্জুনের চরিত্রটিও বেশ 'চ্যালেঞ্জিং'। বোঝাই যাচ্ছে এটি একটি কল্পবিজ্ঞান কেন্দ্রিকও হতে পারে, আবার চিকিৎসা বিদ্যার নতুন মোড় উন্মোচনের কাহিনীও হতে পারে। একজন পথ ভুলে ঘরে ফিরতে চায়, আবার অপরজনের স্মৃতিতে ঘরে ফেরার কথাই পেয়েছে বিলুপ্তি। কোন দিকে পূর্ণতা পাবে ভালোবাসা, তার জন্য অপেক্ষা করতে হবে জুন মাস পর্যন্ত।